বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৭:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কোটা বাতিলের নামে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তোষ কুমার অধিকারীর কিছু কথা – মুক্তিযুদ্ধের চেতনা টিভি নওগাঁয় বিস্কুট খেয়ে দুই শিশু কন্যার মৃত্যু- মুক্তিযুদ্ধের চেতনা টিভি জাফলংয়ে কথা কাটাকাটি থেকে মারামারি অতঃপর ঘুষিতে প্রাণ গেল শ্রমিকের – মুক্তিযুদ্ধের চেতনা টিভি নওগাঁয় কোটা বিরোধী আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মাঠে নামতেই দেয়নি ছাত্রলীগ- মুক্তিযুদ্ধের চেতনা টিভি কোটা বাতিল আন্দোলনের যৌক্তিকতা নেই: প্রধানমন্ত্রী – মুক্তিযুদ্ধের চেতনা টিভি বীর মুক্তিযোদ্ধার পৈত্রিক সম্পত্তি সরকারিভাবে একোয়ারের নোটিশ, দিশেহারা অসুস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবার – মুক্তিযুদ্ধের চেতনা টিভি রাজশাহীতে মুক্তিযোদ্ধা ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত – মুক্তিযুদ্ধের চেতনা টিভি চলে গেলেন না ফেরার দেশে বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটার রাজশাহীর কৃতি সন্তান খালেদ মাসুদ পাইলটের’ মা নার্গিস আরা বেগম- মুক্তিযুদ্ধের চেতনা টিভি’ বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটি অনুমোদন – মুক্তিযুদ্ধের চেতনা টিভি বাবুগঞ্জে এস এস সি কৃতকার্য ছাত্রী ধর্ষিতা অবশেষে পুত্র সন্তানের মা হলেন – মুক্তিযুদ্ধের চেতনা টিভি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে কবুলিয়ত দলিল প্রাপ্তির ৮ বছর পর ও জমি পাননি ভূমিহীন বআচ্চউ- জাকিয়া দম্পতি – মুক্তিযুদ্ধের চেতনা টিভি

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৬৬ বার পড়া হয়েছে

চৌদ্দগ্রামে কবুলিয়ত দলিল প্রাপ্তির ৮ বছর পরেও জমি পাননি ভূমিহীন বাচ্চু-জাকিয়া দম্পতি

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: শরীফ ঈমাম, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা টিভি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে সরকার কর্তৃক ভূমিহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত ৪ শতক জমিনের কবুলিয়ত দলিল (নং-৩০১৩/১৪-১৫) প্রাপ্তির দীর্ঘ ৮ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও সুবিধাভোগি ভূমিহীন বাচ্চু কবিরাজ ও তার স্ত্রী জাকিয়া বেগম বুঝে পাননি তাদের জন্য বরাদ্দকৃত সে জায়গা। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের ইশানচন্দ্রনগর গ্রামে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত আবেদন করার ৯ মাস পরেও তিনি এখনো বুঝে পাননি বরাদ্দকৃত সে জায়গা। প্রতিকারের আশায় এখনো সরকারি বিভিন্ন দফতরের দ্বারে দ্বারে পাগলের মতই ছুটে বেড়াচ্ছেন তিনি। এ সংক্রান্ত নথি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে দায় এড়িয়ে নির্ভার রয়েছে উপজেলা ভূমি অফিস।

 

ভূমি অফিসে দায়েরকৃত আবেদন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের ইশানচন্দ্রনগর গ্রামের মৃত ছেলামত উল্লাহর ছেলে বাচ্চু মিয়া কবিরাজ ও তার স্ত্রী জাকিয়া বেগমের ভূমিহীন হিসেবে খাস জমি প্রাপ্তির লক্ষ্যে ২০১৪ সালে পৃথক দু’টি আবেদন করেন। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে যাচাই-বাছাই শেষে ভূমিহীনদের চূড়ান্ত তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্তি করে সংশ্লিষ্ট দফতর। পরে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ২০১৪-২০১৫ অর্থ বছরে উল্লেখিত ভূমিহীন দম্পতিকে একই কবুলিয়ত দলিলের মাধ্যমে উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের শুভপুর (বাবুচি) মৌজায় ১নং খাস খতিয়ানের ২৩নং দাগে ৪ শতক জমি বরাদ্দ দেয় কুমিল্লা ডিসি অফিস। যার দলিল নং ৩০১৩ ও বন্দোবস্ত কেস নং-২৪/২০১৪-২০১৫। আইনী প্রক্রিয়া ও দলিল সম্পাদক শেষে তৎকালীন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অন্যান্য সুবিধাভোগি ভূমিহীনদের পাশাপাশি বাচ্চু-জাকিয়া দম্পতির হাতে কবুলিয়ত দলিল ও সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তুলে দেন। দলিল বুঝিয়ে দিলেও বদলীজনিত কারণে তড়িগড়ি করে অন্য কর্মস্থলে চলে যাওয়ায় তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাদেরকে সরেজমিনে জায়গাটি বুঝিয়ে দিতে পারেননি। এরপর ভুক্তভোগি বাচ্চু মিয়া কবিরাজ উপজেলা ভূমি অফিসের বারান্দায় ঘুরে ঘুরে হয়রান হয়ে গেলেও অদ্যবদি তারা সে জমিটি বুঝে পাননি। বরাদ্দকৃত জমিটি বুঝে পেতে ভুক্তভোগি বাচ্চু কবিরাজ বর্তমান সহকারী কমিশনার (ভূমি) তমালিকা পাল বরাবর গত ০৫.০২.২০২৩ ইং তারিখে একটি লিখিত আবেদন করেন। আবেদনের মেয়াদ ৯ মাস পার হলেও এবিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি উপজেলা ভূমি অফিস। একপর্যায়ে ভূক্তভোগি বাচ্চু কবিরাজ বিষয়টি ঘোলপাশা ইউপি চেয়ারম্যান এ কে খোকন সহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে জানালে তারা তাকে সাংবাদিকদের স্মরণাপন্ন হতে বলেন। পরে তিনি সকল ডকুমেন্ট সহ সাংবাদিকদের বিষয়টি জানান। সাংবাদিকরা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তমালিকা পালকে সরাসরি বিষয়টি জানালে তিনি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন মর্মে তাদেরকে আশ^স্ত করেন।

 

ভুক্তভোগি বাচ্চু মিয়া কবিরাজ জানান, ‘আমি গরীব মানুষ। গাড়ীতে গাড়ীতে বনাজি ঔষধ বিক্রি করে সংসার চালাই। যাচাই-বাছাই শেষে ভূমিহীন হিসেবে সরকার আমার ও আমার স্ত্রীর নামে ঘোলপাশা ইউনিয়নের শুভপুর (বাবুচি) মৌজায় ৪ শতক জমি বরাদ্দ দেয়। দলিলপত্র বুঝে পেয়েছি ৮ বছর হলো। এখনো জায়গা বুঝে না পাওয়ায় পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি। ইউনিয়ন পরিষদ অফিস, ভূমি অফিস সহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে আমি ক্লান্ত হয়ে গেছি। মেম্বার, চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানিয়েছি। কার কাছে গেলে জমি বুঝে পাবো বুঝতে পারছিনা।’

এ বিষয়ে উল্লেখিত জমির বর্তমান ভোগদখলকারী ঘোলপাশা ইউনিয়নের বাবুচি গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু মিয়া জানান, ‘দেশ স্বাধীনের পরে আনুমানিক ১৯৮০ সালের দিকে আমি এ জায়গা বন্দোবস্ত করে আনার পর এখন পর্যন্ত ভোগদখলে আছি। সরকার কাউকে নতুন করে এ জমি বরাদ্দ দিয়েছে কিনা আমি জানিনা। এ ব্যাপারে সরকার আমাকে কখনো কোনো নোটিশ দেয়নি।’

এ ব্যাপারে ঘোলপাশা ইউপি চেয়ারম্যান এ কে খোকন বলেন, ‘আমার কাছে এ বিষয়ে বাচ্চু কবিরাজ কোনো সহযোগিতা চায়নি। যেহেতু এটা সরকারী খাস খতিয়ানের জমি, উপজেলা ভূমি অফিস এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। সে চাইলে তাকে সহযোগিতা করা হবে।’

 

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তমালিকা পাল বলেন, ‘উনার সাথে আমি কথা বলেছি। উনি যে কবুলিয়তটা পেয়েছেন, প্রায় ১০ বছর হয়ে গেছে। অনেকদিন পূরনো তো। নথিটা রেকর্ডরুম থেকে বের করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেন জানান, ‘ভুক্তভোগিকে বলেন সরাসরি গিয়ে এসিল্যান্ডকে জানাতে। তাহলে এসিল্যান্ড-নায়েব সহ গিয়ে জায়গাটি বুঝিয়ে দিবে।’

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৫৭ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:০৮ অপরাহ্ণ
  • ১৬:৪৩ অপরাহ্ণ
  • ১৮:৫৩ অপরাহ্ণ
  • ২০:১৭ অপরাহ্ণ
  • ৫:১৯ পূর্বাহ্ণ
©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102